বিরলের প্রাকৃতিক শালবনে শাল গাছ কাটার অপরাধ দুই দিনের মধ্যে আবারও আটক-১

 

ছবি: বিট অফিসার মোঃ মহসিন আলীর ফেসবুক থেকে 

বাংলাদেশের অন্যতম ও উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম প্রাকৃতিক শালবনে শাল গাছ কাটার অপরাধে এক যুবককে আটক করেছে বনবিভাগের কর্মীগণ। আটকৃত যুবককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। 

 দিনাজপুর সদর রেঞ্জ এর ধর্মপুর বিট অফিসার মোঃ মহসিন আলী নিজের ফেসবুকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান

অদ্য১১/০৪/২০২৩ইং দিনাজপুর সদর রেঞ্জাধীন, বিরল উপজেলার, ধর্মপুর বিটের,  সংরক্ষিত শাল বন থেকে শাল গাছ কাটার অপরাধে ১.মোঃতোফাজ্জল হোসেনের (২১) পিতা:মোজাহার আলী।  ঠিকানা :ধর্মপুর, বিরল, দিনাজপুর। কে আদালতে সোপর্দ। করা হয়।

বিরলের প্রাকৃতিক শালবনে শাল গাছ কাটার অপরাধ আটক-১

ফেসবুক থেকে নেওয়া


বাংলাদেশের অন্যতম ও উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম প্রাকৃতিক শালবনে শাল গাছ কাটার অপরাধে এক যুবককে আটক করেছে বনবিভাগের কর্মীগণ। আটকৃত যুবককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। 

 দিনাজপুর সদর রেঞ্জ এর ধর্মপুর বিট অফিসার মোঃ মহসিন আলী নিজের ফেসবুকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ৯ এপ্রিল রবিবার ধর্মপুর বিট এলাকার ধর্মপুর মৌজার সি এস, দাগ নং- ৭৩০ এ অবৈধভাবে সংরক্ষিত বনে অনুপ্রবেশ করে এবং শাল গাছ কাটার অপরাধে ধর্মপুর গ্রামের মোঃ আনোয়ার হোসেন এর যুবক ছেলে মোঃ আসাদুজ্জামান সাগর (২২) কে  বন আইন-১৯২৭ ক্ষমতা বলে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের বিচারক তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

দিনাজপুরের বিস্মৃত রাজবাড়ি।

 নিদর্শনের দিক থেকে দিনাজপুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। দিনাজপুর শহরটি পৌরাণিক নদী পুনর্ভবার তীরে অবস্থিত। পাল রাজবংশের সময়ে দিনাজপুর গোটা রাজশাহী বিভাগ ও ঢাকা জেলার অনেকটা বিস্তৃত ছিল। শুধু পাল আমলের নয়, সেন রাজত্বকালে নির্মিত অসংখ্য প্রত্নবস্তুর সন্ধান মিলেছে দিনাজপুরসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়। তবে অযত্ন-অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে এ অঞ্চলের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। হারিয়ে যেতে বসা স্থাপনাগুলোর মধ্যে শতাব্দী প্রাচীন রাজবাড়িটি অন্যতম। প্রায় ১৬ দশমিক ৪১ একর ভূমিজুড়ে অবস্থিত ঔপনিবেশিক ও প্রাক্‌-ঔপনিবেশিক যুগের রাজবাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের। রাজবাড়ির বহির্মহলের ধ্বংসাবশেষের ছবিগুলো সম্প্রতি ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে।


                                         অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের শেষ প্রান্তে রাজবাড়ির বিভিন্ন স্থাপনা।
 সরকার উদ্যোগ নিলে এখনো এই রাজবাড়িকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব।
                                        এখনো টিকে থাকা খিলানে ফুটে আছে নানা নান্দনিক অলংকরণ।
              ভেঙে পড়ে আছে স্থাপনার বিভিন্ন অংশ। লতাপাতা ও গাছে ছেয়ে গেছে স্থাপনাগুলো।
                                            এই ধ্বংসস্তূপ দেখতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোক আসে।
                                                        বিভিন্ন স্থাপনা ‘হানাবাড়ি’তে পরিণত হয়েছে।

Disqus Shortname

sigma-2

Comments System

blogger/disqus/facebook

Disqus Shortname

designcart

Comments system

[blogger][disqus][facebook]